মোঃ আলাউদ্দিন চট্টগ্রাম
গত ১৮/১০/২৬ ইং দুপুরে চাতরী চৌমুহনী বাজার হইতে একটি সিএনজি অটোরিক্সা করে মালঘর বাজার যাওয়ার পথে আনোয়ারা চাতুরি চৌমুহনী এলাকার পূর্ব শত্রুতার যে ধরে চিহ্নিত সন্ত্রাসীর হাতে আক্রমণের শিকার হন প্রবাস ফেরত ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান। তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান উক্ত সন্ত্রাসীরা ছিলেন আব্দুল হান্নানের পূর্ব পরিচিত সন্ত্রাসী হামলার বিষয় নিয়ে প্রবাসী ব্যবসায়ী আবদুল হান্নান আনোয়ার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন এই অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যেএই যে, আমি আইনের প্রতি একজন শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তি যারা আমার উপর এই সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তাদের সাথে আমার আমার সাথে তাদের পূর্বের আর্থিক লেনদেন ছিল। কিন্তু তারা আমার পাওনা টাকা পরিশোধ না করে দীর্ঘদিন ধরে গড়িমসি করে আসছিল। গত ১৮/১০/২৬ ইং দুপুরে আমি চাতরী চৌমুহনী বাজার হইতে একটি সিএনজি অটোরিক্সা করিয়া মালঘর বাজার যাওয়ার পথে ১০নং ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড হাইলইধর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আলী আনোয়ারা রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে হইতে আমার একই সিএনজিতে উঠে।আমি একজন ব্যবসায়ী। বিবাদীরা আমাদের পূর্ব পরিচিত। বিবাদী ফারক এর নিকট আমি ২,০০,০০০ পায় ৩নং বিবাদী মোঃ সিএনজিতে উঠার পর ৩নং বিবাদীকে দেখিয়া আমি তাহার ছেলে ১নং বিবাদীর নিকট পাওনা ০২ লক্ষ টাকার বিষয়ে কথাবার্তা উঠাই। আমার টাকা পরিশোধের ব্যাপারে কোন সদুত্তর না দিয়ে বিবাদী মোঃ আলী সিএনজির ভিতরেই আমার সহিত তর্কে লিপ্ত হয় এবং জয়কালী বাজার সিটি সেন্টারের সামনে নামিয়া যায়। বিবাদী মোঃ আলী আমাকে দেখাইবে মর্মে হুমকি দেয়। তৎপর ১৮/১০/২৬ ইং আনুমানিক দুপুর ১. ৫৫ মিনিটেআমি মালঘর বাজার মাহবুব আলী মার্কেটের সামনে আসলে অভিযোগে উল্লেখিত আসামিগণ পূর্ব হইতে লাঠিসোটা নিয়ে ওৎ পাতিয়া থাকা বিবাদী ফারুক, শামসুন নাহার ও সবুরা বেগম আমার পথ রোধ করে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করিতে থাকে। ৩নং বিবাদী মোহাম্মদ আলীর সহিত ঝগড়া করিয়াছি কেনো ব্যাখ্যা দাবী করিয়া বিবাদী শামসুন নাহার আমার দাড়ি ধরিয়া টেনে আমাকে মাটিতে ফেলে দেয় এবং তলপেটে ও বুকে হত্যার উদ্দেশ্যে একাধিক লাথি মারে। বিবাদী সবুরা বেগম ইট দিয়ে আমার দুই পায়ের হাটুতে জখম করে। বিবাদী মোঃ ফারুক হাতে থাকা লাঠি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমাকে নির্দয়ভাবে বারি মারিয়া হাতে পায়ে বুকে পিটে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। এসময় বিবাদী মোঃ আলীও ঘটনাস্থলে আসিয়া স্বপরিবারে সবাই মিলে আমাকে এলোপাথারি মারধর করিয়া নীলাফুলা জখম সহ আমার সাথে থাকে ব্যাংক হইতে সদ্য উত্তোলিত নগদ ৪,০০,০০০ টাকা এবং আমার পাঞ্জাবীর পকেটে থাকা নগদ ৮,০০০ টাকা নিয়ে ফেলে। আমাকে রক্ষা করার জন্য আমার ভাই আবদুল মালেক আগাইয়া আসিয়া বাঁধা দিলে ১নং বিবাদী ফারুক সজোরে ঘুষি মারিয়া আমার উক্ত ভাইয়ের ডান চোঁখের নিচে রক্তাক্ত ফাটা জখম করে। বিবাদী শামসুন নাহার ও সবুরা বেগমদ্বয় আমি ও আমার ভাই আবদুল মালেককে গায়ে থুতু ছিটিয়ে ও দাড়ি, চুলে ধরে টানাটানি করে অপমান করে। শোর চিৎকারে আশেপাশের লোকজনের আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা আমাকে ও আমার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।প্রবাসী ব্যবসায়ী ঘটনার পর আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে আরো জানান আমাকে যারা অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা করেছে আমি প্রশাসনের কাছে এই সন্ত্রাসীদের হামলার সুষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে সন্ত্রাসীদের কাঠগড়ায় এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানান।