• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
বোয়ালখালী কধুরখীল জ্ঞানোদয় বিহারে প্রবারণা পূর্ণিমার উৎসব পরিদর্শনে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী পটিয়ার আমির ভান্ডার দরবার শরীফে ওরশ, ঈদে মিলাদুন্নবী ও সেমা মাহফিল অনুষ্ঠিত কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমায় বিপ্লব জলদাসের শুভেচ্ছা বোয়ালখালীতে প্রথমবারের মতো দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, অংশ নেন ৪০০ দাবাড়ু কোয়েপাড়া পল্লী সেবা সংঘের শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের ‘বাল্মীকি প্রতিভা’ বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক শুভ প্রবারণা পূর্ণিমায় শুভেচ্ছা বার্তা  মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা: সাগরে নামার আগেই ঋণের জালে আব্দুল মান্নান,নুরনবি সহ হালিশহরের অসংখ্য মৎস্যজীবীরা। বোয়ালখালীতে সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি, মুহাম্মদ হাসান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান বোয়ালখালীতে প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত 

চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার হার্বাতলী এলাকায় পলিথিন কারখানা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে মাসুদের বিরুদ্ধে।

Reporter Name / ১০০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার হার্বাতলী এলাকায়
গরুর ফার্মের পাশেই পলিথিন কারখানা! পরিবেশ দূষণের অভিযোগ উঠেছে কারখানার পরিচালক মাসুদের বিরুদ্ধে।চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার হার্বাতলী এলাকায় জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি এবং একটি গরুর ফার্মের পাশে পলিথিন উৎপাদন কারখানা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, মোঃ মাসুদের মালিকানাধীন ওই কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলাকালে শব্দ ও পলিথিন বর্জ্যের কারণে আশপাশের পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়ে ঐ কারখানার আশেপাশে স্থানীয় জনগনের কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তারা জানান কারখানার বিকট শব্দে তারা নানান ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এবং এই পরাধীন কারখানার ময়লা আবর্জনা গুলি বিভিন্ন জায়গায় এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে খেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে তাই তারা আমাদের প্রতিনিধির কাছে জানান আসলে এই কারখানার কোন পরিবেশের ছাড়পত্র আছে কিনা এবং তাদের এ কারখানা চালানোর পরিপূর্ণ ডকুমেন্ট আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান। এই কারখানার বিষয় নিয়ে মাসুদের সাথে আমাদের প্রতিনিধি মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এই সংবাদ লেখার আজ পর্যন্ত কোন রকমের যোগাযোগ আমাদের সাথে করেনি তাই আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারি এই কারখানার আদৌ বৈধ কোন পরিবেশের ছাড়পত্র বা অন্যান্য কোন ডকুমেন্টস মাসুদের কাছে নেই। এই কারখানার সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তাই এই কারখানার বিষয় নিয়ে কিছু প্রশ্ন থেকে যায় কোন ধরনের বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কিসের উপর ভিত্তিতে বা কার ইশারায় অবৈধভাবে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এ বিষয়ে মাসুদের কোন উত্তর না পাওয়ায় আমাদের প্রতিনিধি পরিবেশ অধিদপ্তর বরাবর সরেজমিন তদন্ত, কারখানার কাগজপত্র যাচাই এবং বায়ু, পানি ও মাটি দূষণের বিষয়টি পরীক্ষা করার আবেদন জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা