• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রামে খোলা ড্রেনের মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেল পথচারীরা কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শোক বার্তা আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২০২৬ অনুষ্টিত। জিয়াউর রহমানের নামে কালুরঘাট সেতুর নামকরণের দাবী জানালেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব। আল্লামা ইমাম হায়াত পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় সেনবাগে ক্যাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড জঙ্গল সলিমপুর যৌথ বাহিনীর অভিযান।

Reporter Name / ৭৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

দেবাশীষ দাশ ( রাজা)ক্রাইম রিপোর্টার-

চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী, অস্ত্র ব্যবসায়ী, মাদক কারবারী ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের নিরাপদ আশ্রায় নেই এই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়।
আজ ( ০৯ মার্চ ) ফজেরের নামাজের পর থেকেই জঙ্গল সলিমপুর বিভিন্ন প্রবেশ মুখ দিয়ে, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র়্যাব, বিজিবি,ও এপিবিএন সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখে অভিযান পরিচালনা করছেন।
এ অভিযানে প্রায় ৫৫০ জন সরনা সদস্য, ১৮০০ জন পুলিশ সদস্য, ৪০০ জনর্্যাব সদস্য, ১২০ জন বিজিবি সদস্য এবং ৩৩০ জন এপিবিএন সদস্য অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিযানে ব্যবহার হচ্ছে ১৫ টি সাঁজোয়া এপিসি যান,তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং তিনটি হেলিকপ্টার রির্জাভ রাখা হয়েছে। পাহাড়ি দুর্গম এলাকা হওয়ায় অভিযান পরিচালনায় বিশেষ কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, প্রায় দুই যুগ ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিভিন্ন অপরাধী চক্রের অভয়ারণ্যে হিসেবে পরিচিত। পাহাড়ি ও দুর্গম ভূখণ্ডের কারনে দীর্ঘদিন ধরেই এখানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল ছিল। এই সুযোগে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুলো এখানে নিজেদের শক্ত ঘাঁটি তৈরি করে।
স্হানীয়দের অভিযোগ, ইয়াসিন ও রোকন মেম্বারের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অনেকটাই কমে আসবে বলে জানায় এলাকা বাসি।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, চট্টগ্রাম শহরে যেসব ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটে,তারা অনেক অপরাধী জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বসবাস করে।
আজ ভোর ৫ ট ৪০ মিনিটের সময় যৌথ বাহিনী জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযান শুরু করে, পাহাড়ি দুর্গম এলাকা ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনীরা।
প্রশাসনের কর্মকতারা জানিয়েছেন, এ অভিযান চলমান রয়েছে এবং পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা মধ্যে রাখা হয়েছে। অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

৮৩ লাখ টাকার সোনা, ৯ হাজার ডলারসহ ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম আটক নিউজ ডেস্ক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ শেষে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় মফিদুল ইসলাম (৪৩) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির গণমাধ্যমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২ এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ২১ ক্যারেট মানের এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। সোনার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, এক হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধার সোনা বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় মফিদুলের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির আরও বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। যে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।