• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রামে খোলা ড্রেনের মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেল পথচারীরা কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শোক বার্তা আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২০২৬ অনুষ্টিত। জিয়াউর রহমানের নামে কালুরঘাট সেতুর নামকরণের দাবী জানালেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব। আল্লামা ইমাম হায়াত পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় সেনবাগে ক্যাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলাবৈলতলী ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আবদুল মতলব গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৮৪৭ Time View
Update : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫

নিজশ্ব প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় গত রোববার রাতে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বৈলতলী ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক, যুবলীগের কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী,এলাকার চিন্হিত ইয়াবা ব্যবসায়ী,ভুমি জবর দখলকারী, চাঁদাবাজ, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য আবদুল মতলব (৩৬) কে নাশকতার অভিযোগে বিগত ২০২৪ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) কর্তৃক চন্দনাইশ থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত মামলায় আটক করা হয়েছে।সে ০৬ নং বৈলতলী ইউনিয়নস্হ ১নং ওয়ার্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিদ কমান্ডারের বাড়ির আবদুল বারেকের ছেলে।বিজ্ঞ আদালত শুনানী শেষে নাশকতায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
আবদুল মতলব এর বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানায় নাশকতার মামলা ছাড়াও বিভিন্ন অপরাধ সংগঠনের অভিযোগে চন্দনাইশ থানার মামলানং:০২(১০)২০২২,স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ে ০৪/০৩/২০২৫ তারিখে দাখিলকৃত অভিযোগ: স্মারক নং ৯৫৭ তারিখ:১৬/০৪/২০২৫,
চন্দনাইশ থানার মামলা নং: ১৫(০৪)২০১৯,চন্দনাইশ থানার সাধারন ডায়েরীনং: ৩৬৬/২০,সি আর মামলা নং: ৫৯৩/২০২৪(চন্দনাইশ), চন্দনাইশ থানার মামলা নং ০৮(১২)২০০৫,দায়রা মামলা নং ৫৩৩/০৬,গ্রাম আদালতে মামলা নং ৩৬/০৩ এবং তার ভাবী রেহেনা আক্তার কাজলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সিআর মামলা নং ৩৬৬/২০২৪(কোতয়ালী) রয়েছে।এলাকার লোকজন সহ বিভিন্ন মামলার সুত্রে জানা যায় আবদুল মতলবের বিরুদ্ধে আওয়ামী ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিরীহ লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী, সরকারী চাকরী দেওয়ার নামে চাকরী প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাত,প্রতারনা, নিরীহ মানুষকে সন্ত্রাসী লোকজন নিয়ে মারধর, চাঁদাবাজী,আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের চিন্হিত সন্ত্রাসী আওয়ামীলীগ নেতা রাশেদুল হক,চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মারজেদুল ইসলাম আরমান,সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম,বৈলতলী ০১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা সিরাজ মিয়া,চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছাত্রলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম সজিব, ছাত্রলীগ নেতা আবদুর রহমান সাজ্জাদ,০৬ নং বৈলতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, আওয়ামী লীগ নেতা এসএম সায়েম,আওয়ামীলীগ নেতা মেম্বার সায়েদুল ইসলাম চৌধুরী, বৈলতলী ০৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সভাপতি মেম্বার নিজাম উদ্দীন, বৈলতলী ০১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইমরান সাজ্জাদ সাইফু, বৈলতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রিদওয়ান বিন সাইদ প্রকাশ ইমন সহ অজ্ঞাত নামা আরো ১৪/১৫ জনকে সাথে নিয়ে চাচাতো ভাই জসীম উদ্দীনের বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর,জসীম উদ্দীনের বৃদ্ধ পিতামাতাকে মারধর, জসীম উদ্দীনের চোখ উৎপাটন, অস্হিভংগ জখম সহ জসীম উদ্দীনের স্ত্রীকে যৌন নির্যাতন,শিশু পুত্রের গলায় ছুরি ধরে জোর পুর্বক নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর গ্রহন,আলমারিতে রক্ষিত টাকা চিনিয়ে নেওয়ায় জসীম উদ্দীন বাদী হয়ে চন্দনাইশ থানার মামলা নং ০২(১০)২০২২ দায়ের করেন। এছাড়াও আবদুল মতলব এর বিরুদ্ধে চাচাত ভাই সিরাজের পিতামাতাকে মারধর, সিরাজের ১ম স্ত্রীকে মেরে গর্ভের সন্তানকে হত্যা করে উক্ত ঘটনায় আবদুল মতলব এর চাচা নুরন্নবী বাদী হয়ে আবদুল মতলব গং এর বিরুদ্ধে চন্দনাইশ থানার মামলা নং ৮(১২)২০০৫ দায়ের করে।উক্ত মামলায় আবদুল মতলব এবং তার মা আনোয়ারা বেগম দীর্ঘদিন হাজতবাস করে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ভুমি জবর দখল, ছাগল চুরি, ইয়াবা সেবন করে শিশু বলৎকার,স্কুলগামী মেয়েদের ইভটিজিং সহ নিজ প্রেমিকাকে ছোট ভাই জাহেদের সাথে বিয়ে দিয়ে অবৈধ পরকীয়া সম্পর্ক চালিয়ে যেতে থাকলে জাহেদ খবর পেয়ে বিদেশ থেকে এসে আবদুল মতলব কর্তৃক জাহেদের স্ত্রীকে জোরপুর্বক ধর্ষন করার সময় তৎ ছোট ভাই জাহেদ আবদুল মতলবকে হাতেনাতে ধরে ফেললে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে আবদুল মতলব,চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছাত্রলীগ নেতা ভাতিজা ফরিদুল ইসলাম সজিব,ছোট ভাই রাসেলকে নিয়ে জাহেদকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।একপর্যায়ে ঘটনা ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি করে লাশ পোষ্টমর্টেম না করিয়ে লাশ কবরস্হ করে উক্ত হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া আবদুল মতলব এর আপন ভাবী বড় ভাই আবদুল করিমের স্ত্রী, চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছাত্রলীগ নেতা ফরিদুল ইসলাম সজিবের মাতা রেহেনা আক্তার কাজল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা নং ৩৬৬/২০২৪ এ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন হাজতবাস করে সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পায়।
ছাত্রজনতার শান্তিপুর্ণ আন্দোলনে নাশকতা সৃষ্টিকারী,বিভিন্ন মামলার এজাহারভুক্ত আসামী আওয়ামী যুবলীগের চিন্হিত সন্ত্রাসী আবদুল মতলব এর গ্রেপ্তারের সংবাদ পেয়ে এলাকার লোকজন মিষ্টি বিতরন সহ আনন্দ মিছিল বের করলেও ছাত্রজনতার আন্দোলনে নাশকতা সৃষ্টিকারী,বিভিন্ন মামলা এজাহারভুক্ত আসামী এবং জসীম উদ্দীনের চোখ উৎপাটনকারী আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের চিন্হিত সন্ত্রাসী রাশেদুল হক,মারজেদুল ইসলাম আরমান,আরিফুল ইসলাম,সিরাজ মিয়া,ফরিদুল ইসলাম সজিব,আবদুর রহমান সাজ্জাদ, আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান এসএম সায়েম, মেম্বার সাইদুল ইসলাম চৌধুরী,মেম্বার নিজাম উদ্দীন,ইমরান সাজ্জাদ সাইফু,রিদওয়ান বিন সাইদ প্রকাশ ইমন এখনো পুলিশের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানোয় এলাকার লোকজন ক্ষুদ্ব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।এলাকার লোকজন তাদেরকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতারের জন্য চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সরকারের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

৮৩ লাখ টাকার সোনা, ৯ হাজার ডলারসহ ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম আটক নিউজ ডেস্ক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ শেষে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় মফিদুল ইসলাম (৪৩) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির গণমাধ্যমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২ এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ২১ ক্যারেট মানের এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। সোনার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, এক হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধার সোনা বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় মফিদুলের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির আরও বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। যে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।