• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রামে খোলা ড্রেনের মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেল পথচারীরা কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শোক বার্তা আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২০২৬ অনুষ্টিত। জিয়াউর রহমানের নামে কালুরঘাট সেতুর নামকরণের দাবী জানালেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব। আল্লামা ইমাম হায়াত পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় সেনবাগে ক্যাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

সিএমপি’র ডিবি (পশ্চিম) বিভাগের অভিযানে ০৮ কেজি হেরোইন, ১৪,০০০ পিস ইয়াবা সহ ০৩ জন মাদককারবারী গ্রেফতার

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

সম্মানিত পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় মহানগর গোয়েন্দা পশ্চিম বিভাগের একটি চৌকস টিম বিশেষ অভিযান ডিউটিতে থাকাকালীন ইং ০৭/০৪/
২০২৬ খ্রি. তারিখ রাত অনুমান ০২:৫৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, একটি হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস কক্সবাজার জেলা হতে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ও হেরোইন বহন করে চট্টগ্রামের দিকে আসছে। এ প্রেক্ষিতে আভিযানিক টিম

কর্ণফুলী থানাধীন পটিয়া ক্রসিং এলাকাস্থ পেট্রোল পাম্পের সামনে বর্ণিত বাসটি দেখতে পেয়ে বাসটিকে থামার সংকেত দিলে বাসটি না থামিয়ে শহরের দিকে দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে আভিযানিক টিম বাসটিকে ধাওয়া করে বাসে থাকা ড্রাইভার, সুপারভাইজার ও হেলপারসহ বাসটিকে আটক করে। আটকের পর সংকেত অমান্য করে পালানোর কারণ জিজ্ঞাসা করলে ধৃত আসামীরা জানায়, গাড়িতে অবৈধ মাদকদ্রব্য থাকার কারণে তারা গাড়িটি না থামিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল। এক পর্যায়ে উপস্থিত যাত্রীদের সামনে বাসটি তল্লাশীকালে বাসের পেছনের অংশে বডির নিচে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থায় আসামি ১) মোঃ আলী হোসাইন প্রকাশ আলী হোসেন (৪২), ২) মোঃ আজিম (৪০), ৩) মুহাম্মদ রাশেল (৪৯)-এর দেখানো মতে ও নিজ হাতে বের করে দেওয়া মতে—ক) হলুদ রঙের কসটেপ দ্বারা মোড়ানো ০৮টি প্যাকেট, যার প্রতিটি প্যাকেটে ০১ (এক) কেজি করে সর্বমোট (৮×১)=৮ কেজি হেরোইন, মূল্য অনুমান ৮,০০,০০,০০০/- (আট কোটি) টাকা; খ) হলুদ

রঙের কসটেপ দ্বারা মোড়ানো ৭০টি নীল রঙের জিপারের ভেতরে রক্ষিত প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ (দুইশত) পিস করে (২০০×৭০) সর্বমোট ১৪,০০০ (চৌদ্দ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ওজন ১ (এক) কেজি ৪০০ (চারশত) গ্রাম, মূল্য অনুমান ৩৫,০০,০০০/- (পঁয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা; এবং গ) মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ০১টি HANIF পরিবহনের বাস জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জব্দকৃত হেরোইন ও ইয়াবা ট্যাবলেট কক্সবাজারে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন ব্যক্তির নিকট থেকে সংগ্রহ করে জব্দকৃত বাসের বডির ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অজ্ঞাতনামা ২ (দুই) জন ব্যক্তির নিকট বিক্রয়ের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল মর্মে স্বীকার করে। ধৃত আসামিগণসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। উল্লেখ্য, ধৃত আসামি মোঃ আলী হোসাইন প্রকাশ আলী হোসেন (৪২)-এর বিরুদ্ধে ডিএমপি’র হাতিরঝিল থানার এফআইআর নং-১৯, তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৩; জি.আর. নং-১৯, তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২৩; ধারা ৩৬(১) সারণির ১০(গ), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ মামলা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

৮৩ লাখ টাকার সোনা, ৯ হাজার ডলারসহ ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম আটক নিউজ ডেস্ক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ শেষে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় মফিদুল ইসলাম (৪৩) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির গণমাধ্যমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২ এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ২১ ক্যারেট মানের এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। সোনার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, এক হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধার সোনা বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় মফিদুলের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির আরও বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। যে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।