• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রামে খোলা ড্রেনের মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেল পথচারীরা কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শোক বার্তা আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২০২৬ অনুষ্টিত। জিয়াউর রহমানের নামে কালুরঘাট সেতুর নামকরণের দাবী জানালেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব। আল্লামা ইমাম হায়াত পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় সেনবাগে ক্যাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

আকবরশাহ থানার বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আগ্নেয়াস্ত্র-দেশীয় অস্ত্রসহ চার কুখ্যাত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) আকবরশাহ থানা পুলিশ ভোররাতের বিশেষ অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি চলাকালে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ চার কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। থানা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও অপরাধী চক্রকে চিহ্নিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রবিবার (৩০ নভেম্বর ২০২৫) ভোরে আকবরশাহ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই ফজলুর রহমান, এএসআই সালাম ও এএসআই তোষন সঙ্গীয় ফোর্সসহ শাপলা আবাসিক এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, একটি সংঘবদ্ধ দল ওই এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এরপর অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— ১. শহিদুল ইসলাম জিহাদ (২২), পিতা—সফিক আহম্মেদ, মাতা—জয়নাব আক্তার; স্থায়ী ঠিকানা—কলা উজান, মাঝেরপাড়া, কানুরাম বাজার দক্ষিণ পাশে, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম। বর্তমান ঠিকানা—শাপলা আবাসিক, গ্যাস লাইন, বই ফ্যাক্টরি সংলগ্ন, ফয়সালের ভাড়াঘর, আকবরশাহ, চট্টগ্রাম। ২. মো. জিহাদ হোসেন ওরফে বাক্কা (১৯), পিতা—জাকির হোসেন, মাতা—রোজিনা বেগম; ঠিকানা—শাপলা আবাসিক এলাকা (মুনছুর আহঃ বাড়ি), রওশন মসজিদের পাশ, আকবরশাহ, চট্টগ্রাম। ৩. মো. ইমরান হোসেন (২৭), পিতা—মোস্তফা, মাতা—খোতেজা বেগম; স্থায়ী ঠিকানা—খাজুরিয়া পশ্চিমপাড়া, ২নং ওয়ার্ড, কেশারপাড়া ইউনিয়ন, সেনবাগ, নোয়াখালী। বর্তমান ঠিকানা—কর্ণেলহাট, জনসন রোড, মিতু হোটেলের পেছনে, কামরুল সওদাগরের বাড়ির ভাড়াটিয়া, আকবরশাহ, চট্টগ্রাম। ৪. সোহেল (৩১), পিতা—জামাল উদ্দিন, মাতা—নুর জাহান বেগম; ঠিকানা—হাসনাবাদ (সামছুর বাড়ি), ভাটিয়ারী রেলস্টেশন, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম; বর্তমানে ভাসমান অবস্থায় অবস্থানরত।অভিযানের সময় তাদের হেফাজত থেকে যেসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়—
একটি দেশীয় তৈরি এলজি,
একটি চায়নিজ চা-পাতি (ধারালো অস্ত্র),
দুটি স্টিলের টিপ ছোরা।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি প্রস্তুতির সঙ্গে জড়িত থেকে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে আকবরশাহ থানায় দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে—
মামলা নং–২৫, তারিখ: ৩০/১১/২০২৫, ধারা—৩৯৯/৪০২ (পেনাল কোড ১৮৬০) মামলা নং–২৬, তারিখ: ৩০/১১/২০২৫, ধারা—১৯A/১৯(f) (Arms Act 1878)
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

আকবরশাহ থানা সূত্র জানায়, এলাকায় রাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সংগঠিত অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

৮৩ লাখ টাকার সোনা, ৯ হাজার ডলারসহ ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম আটক নিউজ ডেস্ক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ শেষে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় মফিদুল ইসলাম (৪৩) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির গণমাধ্যমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২ এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ২১ ক্যারেট মানের এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। সোনার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, এক হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধার সোনা বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় মফিদুলের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির আরও বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। যে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।