নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
ব্যক্তিগত নিজ উদ্যোগে অসহায়দের দিলেন ত্রাণ চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদিকা শামীমা নাসরিন
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিক দায়িত্ব—এই বিশ্বাস থেকেই চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ১৭,১৮ও ১৯ নং ওয়ার্ড এলাকায় অসহায় পরিবারের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন এবং তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে। এবং নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। এ ।জানা গেছে, জরুরি ভিত্তিতে দুই-তিন দিন আগেই নিজ এলাকায় গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল শামীমা নাসরিন এর। তবে অনিবার্য ব্যক্তিগত জরুরি কাজের কারণে নির্ধারিত সময়ে সেখানে উপস্থিত হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। এরপরও বিষয়টিকে বিলম্বিত না করে তিনি নিজ উদ্যোগে
প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করেন এবং মাঠপর্যায়ে পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন।স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বর্ষণে তার নিজ এলাকায় প্লাবিত হয়ে বহু পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।

অনেক পরিবারের ঘরে খাদ্যসংকট, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর অভাব দেখা দিয়েছে। এমন বাস্তবতায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করেছে।এ বিষয়ে শামীমা নাসরিন বলেন “দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সবাইকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”তিনি আরও বলেন, “মানবিক সংকট মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। মানবতার কল্যাণে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।”স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্যোগের সময়ে এমন উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুধু প্রয়োজনীয় সহায়তাই নয়, বরং মানসিক শক্তি ও সাহসেরও উৎস হয়ে ওঠে। তারা সমাজের সক্ষম ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্যোগের সময় সম্মিলিত উদ্যোগইর সবচেয়ে বড় শক্তি। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমিয়ে আনা সম্ভব।