• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
Headline
বোয়ালখালী কধুরখীল জ্ঞানোদয় বিহারে প্রবারণা পূর্ণিমার উৎসব পরিদর্শনে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী পটিয়ার আমির ভান্ডার দরবার শরীফে ওরশ, ঈদে মিলাদুন্নবী ও সেমা মাহফিল অনুষ্ঠিত কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমায় বিপ্লব জলদাসের শুভেচ্ছা বোয়ালখালীতে প্রথমবারের মতো দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, অংশ নেন ৪০০ দাবাড়ু কোয়েপাড়া পল্লী সেবা সংঘের শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের ‘বাল্মীকি প্রতিভা’ বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী কর্তৃক শুভ প্রবারণা পূর্ণিমায় শুভেচ্ছা বার্তা  মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা: সাগরে নামার আগেই ঋণের জালে আব্দুল মান্নান,নুরনবি সহ হালিশহরের অসংখ্য মৎস্যজীবীরা। বোয়ালখালীতে সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি, মুহাম্মদ হাসান চৌধুরীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান বোয়ালখালীতে প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত 

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু)

Reporter Name / ১৩৩ Time View
Update : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারলেও নিজ উদ্যোগে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন দুর্গত এলাকায়; সহায়তা কার্যক্রমের সমন্বয়ে ছিলেন ভাই মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবিক দায়িত্ব—এই বিশ্বাস থেকেই চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় অসহায় পরিবারের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন দৈনিক ইনফো বাংলা ও ডেইলি মর্নিং টুডের সহযোগী সম্পাদক এবং জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু)।তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে চট্টগ্রাম জেলার নিজ জন্মভূমি চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়ীয়া (যতরকূল) গ্রাম,

বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়ন এবং সাতকানিয়া উপজেলার ডলু খালসংলগ্ন বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকায় অসহায় মানুষের মাঝে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। এ কার্যক্রমের সার্বিক সমন্বয় করেন তাঁর ভাই মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী।জানা গেছে, জরুরি ভিত্তিতে দুই-তিন দিন আগেই নিজ এলাকায় গিয়ে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরীর। তবে অনিবার্য ব্যক্তিগত জরুরি কাজের কারণে নির্ধারিত সময়ে সেখানে উপস্থিত হওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। এরপরও বিষয়টিকে বিলম্বিত না করে তিনি নিজ উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে ভাই মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী মাঠপর্যায়ে পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন।স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বর্ষণ ও

পাহাড়ি ঢলে চন্দনাইশ, বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বহু পরিবার পানিবন্দী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক পরিবারের ঘরে খাদ্যসংকট, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর অভাব দেখা দিয়েছে। এমন বাস্তবতায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করেছে।এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) বলেন, “দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সবাইকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”তিনি আরও বলেন, “মানবিক সংকট মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। মানবতার কল্যাণে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।”স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুর্যোগের সময়ে এমন উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য শুধু প্রয়োজনীয় সহায়তাই নয়, বরং মানসিক শক্তি ও সাহসেরও উৎস হয়ে ওঠে। তারা সমাজের সক্ষম ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্যোগের সময় সম্মিলিত উদ্যোগই সবচেয়ে বড় শক্তি। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমিয়ে আনা সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা