ফয়সাল কবির রানা
চট্টগ্রাম নগরীতে ১৮টি অবৈধ আাবাসিক হোটেলের রেজিট্রেশন বাতিলের আবেদন পত্র থকে রহস্যজনক ভাবে ০৫ টি হোটেলের নাম পরিবর্তন হয়ে অন্য ০৫ টি হোটেলের নাম বসিয়ে দিয়েছে কে বা করা গত মাসের ১৩ই জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে সি এম পি পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সাথে এক মতবিনিময় সভায় নগরীর ১৮টি অবৈধ আাবাসিক হেটেলের লাইসেন্স বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়। তোর মত বিনিময় সবায় বাকোলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল কবির চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি আবেদনপত্র দাখিল করেন, কিন্তু ওই আবেদনপত্রে যে অবৈধ আবাসিক ১৮ টি হোটেলের নাম দেওয়া ছিল তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায় রহস্যজনকভাবে ঐ ১৮ টি আবাসিক হোটেলের মধ্যে কে বা কারা পাঁচটি হোটেলের নাম অন্য পাঁচটি হোটেলের নাম বসিয়ে দেয়। গায়ে পোয়া পাঁচটি হোটেল হল ১/ দামপাড়া হোটেল নিক্সন ২/জিসির মোোড় হোটেল মহানগর
৩/পুরাতন স্টেশন রোডে হোটেল মেট্রো ইন ৪/লালদীঘির পাড় হোটেল দরবার এবং ৫/নতুন ব্রীজ সংলগ্ন হোটেল গ্রীন সিটি। এই বিষয়ে বাকুলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল কবিরের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করলে তিনি ব্যস্ততার কারণে কথা বলতে পারেনি
এবং কাশম জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনিও আমাদেরকে ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারেনি তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন এই গায়েবের বিষয়টা নিয়ে তিনি আমাদের সাথে দু’একদিনের মধ্যেই যোগাযোগ করবে। কত লেখা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আমাদেরকে জানান যে তিনি মাত্র নতুন এসেছে থানায় তাই এই বিষয় নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত তিনি নেননি তবে ভবিষ্যতে এ বিষয়ট নিয়ে দেখবেন বলে আমাদেরকে আশ্বাস দেন। উক্ত লিখিত আবেদনপত্রে হোটেল কর্তৃপক্ষের কোন যোগাযোগের ফোন নাম্বার না থাকায় আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি তবে আমরা সরাসরি হোটেলে গিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে এই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করব কিভাবে আবেদনপত্র থেকে হোটেলের নাম গায়েব হয়ে যায়
প্রয়োজনে আমরা পুলিশ কমিশনার বরাবর আরেকটা লিখিত আবেদন জানাবো যাতে করে তুমিও আমাদেরকে তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়