• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
Headline
একোয়ার-টেন্ডারবিহীন ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে বল প্রয়োগে রাস্তা নির্মাণ অভিযোগ চসিকের বিরুদ্ধে আহলুস সুফফা কিন্ডারগার্টেনে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত হেভেন সিটি শফিংমল এ টট,স হেভেন এর অনুষ্ঠানিক যাত্রা সীতাকুণ্ড শীতলপুর শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার ২৯৬তম শুভ আবির্ভাব উৎসব অনুষ্ঠিত হয় চান্দগাঁওয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ২৩তম আজিমুশশান নূরানী মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত সিরাত মাহফিল’- শাণে রেসালাতের বিরুদ্ধে মোনাফেকি ষড়যন্ত্র প্রত্যায়ন পত্র প্রত্যয়ন পত্র সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা

আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অতিরিক্ত অর্থ আদায়:দলিলপ্রতি বাড়তি টাকা, তিন মাসে কোটি টাকার লেনদেন.

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি | চট্টগ্রাম. পর্ব(১)।

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। তাদের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, অফিসের একজন অতিরিক্ত মোহরার অনুপম বড়ুয়া দলিল নিবন্ধনের বিভিন্ন ধাপে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত তিন মাসে এভাবে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের ধারণা। যদিও এ দাবির পক্ষে এখনো কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, অংশনামা-সংক্রান্ত একাধিক দলিল নিবন্ধনের সময়ও অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখিত দলিল নম্বরগুলোর মধ্যে রয়েছে— ৬৬, ১৫১, ৩৪৮, ৩৫৬, ৪০২, ৯৩৫, ১২৩৬, ১৫০৫, ১৬৫৬, ১৮৯৩, ২১৮৯, ২২৯৮, ৩১৯৭, ৩৯৫১, ৪৮২১, ৪৯৩৫, ৫১৭৪ ও ৯২৭।
ভুক্তভোগীদের আরও অভিযোগ, প্রতিটি ফাইলের জন্য অতিরিক্ত ১০০ টাকা এবং নিবন্ধিত দলিল ফেরতের সময় অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। তাদের দাবি, প্রতিদিন নিবন্ধিত দলিল থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে আদায় করা হয়।
এছাড়া একই অফিসের আরেকজন অতিরিক্ত মোহরারের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলেছেন কয়েকজন অভিযোগকারী। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নথি বা সরকারি তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রস্তুত হওয়া পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), নিবন্ধন অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হলে জনসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
(চলবে)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা