দেবাশীষ দাশ ( রাজা)ক্রাইম রিপোর্টার-
চট্টগ্রাম সীতাকুণ্ড জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী, অস্ত্র ব্যবসায়ী, মাদক কারবারী ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের নিরাপদ আশ্রায় নেই এই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়।
আজ ( ০৯ মার্চ ) ফজেরের নামাজের পর থেকেই জঙ্গল সলিমপুর বিভিন্ন প্রবেশ মুখ দিয়ে, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র়্যাব, বিজিবি,ও এপিবিএন সহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে রেখে অভিযান পরিচালনা করছেন।
এ অভিযানে প্রায় ৫৫০ জন সরনা সদস্য, ১৮০০ জন পুলিশ সদস্য, ৪০০ জনর্্যাব সদস্য, ১২০ জন বিজিবি সদস্য এবং ৩৩০ জন এপিবিএন সদস্য অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিযানে ব্যবহার হচ্ছে ১৫ টি সাঁজোয়া এপিসি যান,তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং তিনটি হেলিকপ্টার রির্জাভ রাখা হয়েছে। পাহাড়ি দুর্গম এলাকা হওয়ায় অভিযান পরিচালনায় বিশেষ কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, প্রায় দুই যুগ ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বিভিন্ন অপরাধী চক্রের অভয়ারণ্যে হিসেবে পরিচিত। পাহাড়ি ও দুর্গম ভূখণ্ডের কারনে দীর্ঘদিন ধরেই এখানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল ছিল। এই সুযোগে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুলো এখানে নিজেদের শক্ত ঘাঁটি তৈরি করে।
স্হানীয়দের অভিযোগ, ইয়াসিন ও রোকন মেম্বারের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন কারাগারে থাকলে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অনেকটাই কমে আসবে বলে জানায় এলাকা বাসি।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, চট্টগ্রাম শহরে যেসব ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটে,তারা অনেক অপরাধী জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় বসবাস করে।
আজ ভোর ৫ ট ৪০ মিনিটের সময় যৌথ বাহিনী জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযান শুরু করে, পাহাড়ি দুর্গম এলাকা ঘিরে ফেলে যৌথ বাহিনীরা।
প্রশাসনের কর্মকতারা জানিয়েছেন, এ অভিযান চলমান রয়েছে এবং পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা মধ্যে রাখা হয়েছে। অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত থাকবে।