• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
Headline
চট্টগ্রামে খোলা ড্রেনের মরণফাঁদ থেকে মুক্তি পেল পথচারীরা কোয়েপাড়া উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত শোক বার্তা আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’২০২৬ অনুষ্টিত। জিয়াউর রহমানের নামে কালুরঘাট সেতুর নামকরণের দাবী জানালেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সাংবাদিককে না পেয়ে গাড়ি পাহারাদারের উপর চড়াও — পুলিশের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের গুরুতর অভিযোগ ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী ও মব সন্ত্রাস দূর করে মুক্ত সংস্কৃতির প্রবাহের মাধ্যমেই সব মানুষের মানবতার রাষ্ট্র সম্ভব। আল্লামা ইমাম হায়াত পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় পটিয়া-আনোয়ারা-চন্দনাইশের সংযোগস্থলে ‘ওয়াই টাইপ’ সেতুর দাবিতে মতবিনিময় সেনবাগে ক্যাবের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোছেন গ্রেফতার।

Reporter Name / ১০৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পিওর এন্ড ফ্রেশ এর সত্বাধীকারি
মোঃ হোছেন (প্রকাশ) মোঃ হোসেন (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুল শুকুব, মাতা-মনজুরা বেগম, স্ত্রী-হুরাইন জান্নাত নিশি, সাং-খুরুশকুল, ফতেল আলী মাকিব বাড়ী, ০৭নং ওয়ার্ড, জুঁইদণ্ডী ইউপি, থানা-আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম, বর্তমানে-কালামিয়া বাজার, এপিত টাওয়ার, ৮ম তলা, থানা-বাকলিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম’কে অদ্য আপনার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন পূর্বক এই প্রতিবেদন দাখিল করিতেছি যে, অত্র মামলার বাদী

ইং-০৪/০৮/২০২৪ইং তারিখে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবীতে ছাত্র জনতা আন্দোলনে বের হয়। ঐদিন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের দাবীতে সমগ্র বাংলাদেশেই উত্তেজনা বিরাজ করে। বাকলিয়া থানাধীন নতুন ব্রীজ মীর পেট্রোল পাম্পের সামনের রাস্তার উপরে এবং আশেপাশের দুপুর থেকেই স্থানীয় এবং বহিরাগত বহু উচ্ছৃঙ্খল লোকজন এজাহারনামীয় ১ থেকে ১০ নং আসামীদের নির্দেশে উল্লেখিত আসামী এবং অন্যান্য আসামীগণ’সহ অজ্ঞাত আসামীগণরা হাতে কিরিচ, রামদা, লাঠি-সোঠা দিয়ে সজ্জিত হয়ে মিছিল নিয়ে সন্ত্রাসীরা নতুন ব্রীজ মীর পেট্রোল পাম্পের সামনের রাস্তার উপরে গিয়ে এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে উপরোক মহাসড়কের উপরে জড়ো হয়ে তাদের অগ্রাসী মনোভাব প্রকাশ করতে থাকে। ঐ সময় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও নিষিদ্ধ সোধিত ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগের উশৃঙ্খল নেতা কর্মীরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার মিছিলে বাধা প্রদানের লক্ষ্যে সশস্ত অবস্থান গ্রহণ করে।

ঐ সময় ঘটনাস্কুল আশপাশে এলাকায় ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে। বাদী নতুনন্ত্রীজ মীর পোট্রোল পাম্পের সামনের রাস্তার উপর দিয়ে ৪ জুলাই ছাত্র জনতার অধিকার আদায়ের মিছিলে তাহার বন্ধুরা সহ জড়ো হন। তাহারা শান্তিপূর্ণভাবে দাবি আদায়ের আন্দোলন করেন। এ সময় উল্লেখিত ০১নং থেকে ১০নং আসামীগণের নির্দেশে উপরোক্ত তদন্তেপ্রাপ্ত আসামী সম এজাহারে উল্লেখিত অন্যান্য আসামী ও দুষ্কৃতিকারীগণ একই উদ্দেশ্যে বেআইনীভাবে ছাত্র জনতার আন্দোলন বন্ধে কিরিচ, রামদা, লাঠি-দোঠা সহকারে মিছিল নিয়ে ছাত্র জনতাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে এলাপাতাড়ী মানুষের জানমালের উপর আঘাত করে। একপর্যায়ে ১নং আসামী হত্যার উদ্দেশ্যে বাদীর মাথায় কিরিচ দিয়ে কোপ মারিলে তাহা সে তাহার ডান হাত দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করিলে উক্ত কোপ বাদীর ডান হাতে লাগিয়া বাদীর কজির রগ কাটিয়া গুরুতর রগ কাটা জখম হয় এবং বক্তাক্ত অবস্থায় বাদীকে ১নং আসামী আবারো কোপ মারিলে বাদী সরিয়া গেলে উক্ত কোপ হইতে সে নাচিয়া যান পরে ১নং আসামীর নির্দেশে বৃত আসামীসহ তাহার সঙ্গীয় অপরাপর আসামীগন উপর্যপরি এলোপাথাড়ী আঘাত করিতে থাকে। পরে ছাত্র জনতার আরেকটি দল মিছিলে তাদের দিকে আগাইয়া আসিতে দেখিয়া সেই মিছিলকে প্রতিহত করার জন্য বাদীকে রাস্তায় আহত অবস্থায় ফেলিয়া চলিয়া যায়। বাদীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে একজন সিএনজি ড্রাইভার তার গাড়ীতে তুলে তাহাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে গিয়ে সেখানে ২.৩.৫.৬ ও ৭নং আসামীগনের অনুসারীরা হাসপাতালের আশেপাশে হামলার জন্য অবস্থান করিতেছে জানিয়া নিরাপত্তার জন্য সেখানে চিকিৎসা না নিয়া স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করে। পরে বানীর অবস্থার অবনতি হইলে সে বিগত

০৯/০৮/২০২৪ইং তারিখে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হইয়া ৩৮/০৮/২০২৪ইং তারিখ পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহণ করেন। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আত্মীয় স্বজন এবং এলাকার লোকজনদের সাথে আলাপ করিয়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখিয়া এবং স্থানীয় লোকজনের নিকট হইতে ঘটনায় জড়িতদের নাম সংগ্রহ করিয়া বাদী বিজ্ঞ আদালতে উক্ত অভিযোগ দায়ের করিলে বাদীর উক্তরূপ টাইপকৃত এজাহার বিজ্ঞ আদালতের সিতার মামলা নং-৯৪/২০২৫, আদেশের তাং-২৮/০১/২০২৫ইং মূলে থানায় গৃহীত হইলে প্রাথমিক তদন্ত পূর্বক তাত্র মামলা রুজু করতঃ মামলাটির তদন্তভার অফিসার ইনচার্জ সাহেব আমার নামে হাওলা করেন। আমি মামলার তদন্তভার গ্রহন করি।

আমি অত্র মামলার তদন্তভার গ্রহন করিয়া মামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। অভিযান পরিচালনা করিয়া সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামী মোঃ হোছেন (৩৮)কে ইং-০৫/০১/২০২৬খ্রিঃ তারিখ রাত ০০.৩০ ঘটিকার সময় অভিযান পরিচালনা করিয়া বাকলিয়া খানাধীন কালানিয়া বাজার এলাকা হইতে গ্রেফতার করিতে সক্ষম হই। মামলাটির প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় উল্লেখিত গ্রেফতারকৃত আসামী নিষিদ্ধ ঘোষিত সংঘটন আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী। আসামী আওয়ামীলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহনকারী। ঘটনার দিন আসামী ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং অপর এজাহারনামীয় আসামীকে সাথে নিয়া অত্র মামলার ঘটনা সংঘটন করে। মামলাটির প্রাথমিক তদন্তে উল্লেখিত গ্রেফতারকৃত আসামী অত্র মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আছে মর্মে বিভিন্ন তথ্য প্রমান পাওয়া যায়

অতএব, মহোদয় মামলার সুষ্ঠু তদন্তকার্য সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত বর্ণিত আসামী জামিনে মুক্তি পাইলে এলাকায় আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি হইবে বিধায় আসামী’র জামিন না মঞ্জুর করিয়া আসামীকে জেল হাজতে আটক রাখিতে সদয় মর্জি হয়


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

৮৩ লাখ টাকার সোনা, ৯ হাজার ডলারসহ ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম আটক নিউজ ডেস্ক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওমরাহ শেষে ফেরা এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় মফিদুল ইসলাম (৪৩) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ওমরাহ কাফেলার মোয়াল্লেম হিসেবে তিনি সৌদি আরব গিয়েছিলেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির গণমাধ্যমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিমানবন্দরের আগমনী ক্যানোপি-২ এর খোলা কার পার্কিং এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, আটক মফিদুল ইসলাম সৌদি আরব থেকে একটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন। বিমানবন্দরে নামার পর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে এপিবিএন অফিসে নিয়ে তার শরীর ও ব্যাগ তল্লাশি করে ৪৯৯.১ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ২১ ক্যারেট মানের এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৮০ টাকা। সোনার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৯ হাজার মার্কিন ডলার, ৮ হাজার ৫০১ সৌদি রিয়াল, এক হাজার ৮০০ মিসরীয় পাউন্ড এবং ১৫০ রোমানিয়ান লিউ। এছাড়া তার কাছে ৮০ হাজার ১১৭ বাংলাদেশি টাকাও পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মফিদুল ইসলাম পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের রিসিভার হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধার সোনা বিভিন্ন দেশ থেকে আসা অজ্ঞাতপরিচয় যাত্রীদের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। এ ঘটনায় মফিদুলের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির আরও বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান রোধে এপিবিএন সবসময় সক্রিয় রয়েছে। যে কোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।