বিশেষ প্রতিনিধি-
চট্টগ্ৰাম নগরীর বহুল আলোচিত বলাকা আবাসিক এলাকা এক সময় বগারবিল নামে পরিচিত ছিল। এই এলাকায় একাধিক ধানি জমির মালিক ছিলেন ঘাষিয়া পাড়ার বাসিন্দাগণ। মৌরশী সূত্রে এমনিভাবে আর. এস খতিয়ান ভূক্ত বেশ কিছু জায়গার মালিক হচ্ছেন মোঃ বকতেয়ার গং সর্বপিতা আশরাফ আলি। তাদের মৌরশী সম্পত্তির উপর তাহাদের কাছ থেকে কোন রকমের অনুমতি না নিয়ে জাল জালিয়াতির আশ্রয়ে ভূয়া দলিল সৃষ্টির মাধ্যমে ভূমির জবর দখল করে ভূয়া দলিল সৃষ্টি করেছেন মর্মে অভিযোগ করে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে মাননীয় সিভিল জজ ৫ম আদালতে মামলা নং

০৭/২০২৬ দাখিল করেন। উক্ত মামলায় বিবাদী করা হয় সালাউদ্দিন গং সর্বপিতা মৃত মোঃ মহিউদ্দিন কে। মামলা চলমান অবস্থায় ভবনের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়ায় মামলার বাদী মোঃ বকতেয়ার মাননীয় আদালত হতে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির উপর নিষেধাজ্ঞার আবেদন করলে মাননীয় আদালত সব দিক বিবেচনা করে

বিরোধীয় সম্পত্তির উপরে নিষেধাজ্ঞা ও স্থিত অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। মাননীয় আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক বিরোধীয় সম্পত্তির উপরে মাননীয় আদালতের আদেশের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিলে এক দিন পরেই উক্ত সাইনবোর্ড উপরে ফেলে দেয়া হয়। সরজমিন তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা যায় মাননীয় আদালত হতে আইনগত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় সম্পত্তির উপরে নির্মাণাধীন ভবন সহ আশেপাশের বিরোধীয় খালি জায়গার উপরে দোকান নির্মাণ করে চলেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিবাদীর বক্তব্য নেয়ার জন্য তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে বাদি বাকলিয়া থানায় অবগত করিতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আদালত হতে থানা বরাবরে লিখিত নোটিশ চেয়ে বসেন যা বাদীর সংরক্ষণে না থাকায় দেখাতে পারেননি। স্থানীয় সাধারণ মানুষ বলেন এলাকাটির অধিকাংশ জায়গা এভাবেই প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। মাননীয় আদালতের আদেশ নিষেদ কঠোর হস্তে মানতে বাধ্য করতে সক্ষম হলে তবেই ভূক্তভোগীরা সঠিক বিচার পাবেন।