• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:৪২ অপরাহ্ন
Headline
নজরুলজয়ন্তীতে শিল্পী রিষু তালুকদারের কণ্ঠে নজরুলসংগীতের স্বর্ণালি সন্ধ্যা মা হারানোর অব্যক্ত আর্তনাদ “মা, তোমাকে হারিয়ে আজ আমি সত্যিই এতিম” চট্টগ্ৰামের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অবমাননার অভিযোগ লালদীঘিতে দুইটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের হানা, কোতোয়ালি থানার অভিযানে ১০ নারী পুরুষ আটক। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা চট্টগ্রাম মহানগরীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিএমপি’র পাহাড়তলী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ০১ জন কুখ্যাত ছিনতাইকারী গ্রেফতার রাউজান উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত সুমি সেন বই : জ্ঞান ও মেধার অমূল্য রত্ন ড.ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট তালবিন্দু একাডেমির বর্ষপূর্তিতে সংগীতানুষ্ঠান

লালদীঘিতে দুইটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের হানা, কোতোয়ালি থানার অভিযানে ১০ নারী পুরুষ আটক।

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘিপাড় কেসিদিয়া রোড সিনেমা প্যালেস এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে দীর্ঘ দিন ধরে আবাসিক হোটেলের নাম দিয়ে হোটেল দরবার ও হোটেল সাউদিয়াতে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা, তথ্য সুত্রে জানাযায় দরবার হোটেল ও সাউদিয়া হোটেল স্থানীয় কিছুরাজনৈতিক নেতা কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং কিছু অসাধু প্রশাসনিক কর্মকর্তার আশ্রয় ও

প্রশ্রয়েকাউকে কোন তোয়াক্কা প্রশাসনের নাকের ডগায় বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে প্রকাশ্যে দিবালোকে চালিয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ দেহ ব্যবসা স্থানীয় জনগণের প্রশ্ন আসলে তাদের খুঁটির জোড় কোথায়? লালদীঘির পাড় এলাকায় সসরোজমিনে জমিনে গেলে দেখা যায় হোটেল সাদিয়ার সামনে এবং দরবার হোটেলের সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা পতিতাদের অশোভনীয় আচরণে ক্ষিপ্ত সাধারণ জনগণ এই বিষয় নিয়ে কত লেখা না ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে অনেকবার যোগাযোগ করেও কোন আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায়নি, নগরীর এই কোতোয়ালী থানায় যতজন ওসি থানার ভারপ্রাপ্তের
দায়িত্বে ছিল সবাই শুধু জনসাধারণকে মিথ্যা শ্বাস দিয়ে গেছে যখনই এই অবৈধ হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হতো সবার একটাই কথা ছিল এই বিষয় নিয়ে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি এই এই সান্ত্বনা দিয়েই সাধারণ জনগণকে বোকা বানাতো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা , এবারও হয়েছে একই অবস্থা নগরীর দরবার হোটেল ও হোটেল সাউদিয়াতে থানার পুলিশের অভিযান দশ জন আসামিকে গ্রেফতারের বিষয় নিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমাদের প্রতিনিধিকে জানান
অভিযান যখন শুরু হয়েছে এই অভিযান চলমান থাকবে হোটেল দরবার ও ছবি এ হোটেলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব হোসেন সরাসরি অভিযান পরিচালনা করেন, দীর্ঘদিন নজরদারি করার পর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার চৌকস টিম দরবার হোটেল ও সৌদিয়া হোটেলে অভিযান পরিচালনা করেন, কিন্ত পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েএই দুই হোটেলের হোটেলের সকল কর্মচারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এবং বাকি আনুমানিক দুই হোটেল থেকে আনুমানিক ১০ জন পতিতাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবাসিক হোটেল গুলোর বিষয় নিয়ে প্রশাসনের মতামত জানতে চাইলে আমার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফতাব হোসেন আমাদেরকে এই অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান , কিন্তু কয়েকজন স্থানীয় জনগণের কাছে থানার এই মতামত গুলো নিয়ে জানতে চাইলে তারা সরাসরি আমাদেরকে জানান কত লেখা থানায় যেই ওসি আসে সবাই একই কথা বলে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই কথাগুলো আমরা মোটেও বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করি না এ ধরনের মতামত গুলি আমরা দীর্ঘদিন ধরেই শুনে আসছি আমরা মনে করি এই এলাকাটা দীর্ঘ বছর ধরে যেমন ছিল ভবিষ্যতেও একই থাকবে পরিবর্তনের কোন লক্ষণই আমরা দেখছি না তাই আমরা পুলিশ প্রশাসন ও বর্তমান সরকারের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাই অনতিবিলম্বে এই অবৈধ আবাসিক হোটেল গুলো উচ্ছেদ করা হোক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা