নিজস্ব প্রতিনিধি
নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লালদিঘীর পাড় সিনেমা প্যালেস এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে স্থানীয় প্রশাসন ও কথিত কিছু সাংবাদিককে ম্যানেজ করে দীর্ঘ দিন ধরে আবাসিক হোটেলের নাম দিয়ে দরবার হোটেলে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা অসাধু কিছু পুলিশ প্রশাষন ও কথিত কয়েকজন নামধারী সাংবাদিকের ছত্রছায়ায় চালিয়ে

যাচ্ছে দরবার হোটেলের এই পতিতালয় প্রতিবাদ করার মত যেন কেউ নেই দুপুর ১২.০০ টা থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই দেহ ব্যবসা নাম বলতে অনিচ্ছুক একজন পতিতার সাথে আমাদের প্রতিনিধি কাষ্টমার সেজে দরবার হোটেলে গিয়ে সরোজমিনে কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে ঐ পতিতালয়ে যান এবং ৫০০ টাকায় ঐ পতিতার সাথে চুক্তি করে আমাদের প্রতিনিধি সেখানে যান এবং একটি রুমে গিয়ে তিনি দেখেন অনুন্নত পরিবেশ এবং নোংরা আবর্জনায় ভরা প্রতিটা রুম,কাষ্টমারদের সাথে খারাপ আচরণ ও দুর্ব্যবহার করছে হোটেলের কর্মচারীরা সেই সাথে কিছু পতিতারাও কাষ্টমারদের দুর্ব্যবহার করতে দেখা গেছে। এই বিষয়

গুলো লক্ষ্য করলে আমি সেখান থেকে চলে আসি, এই বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে অনেকবার ফোন করিও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। ঐ পতিতার কাছে জানতে পারি ঐ হোটেলটি সম্পুর্ন দেখাশোনার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন তাকে অনেকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার কাজ থেকে কোন সাড়া মেলেনি নাম বলতে অনিচ্ছুক ঐ এলাকার একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান তারা প্রশাষন,সাংবাদিক

স্থানীয় সন্ত্রাসীদেরকে সাপ্তাহিক ও মাসিক আবার কাউকে দৈনিক কোটা দিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করছে প্রতিবাদ করে ও কোন প্রকার লাভ হবেনা তিনি আরো জানান সিনেমা প্যালেসে থেকে শুরু করে হকার মার্কেট পর্যন্ত এই পতিতা গুলোর যন্ত্রনায় সাধারণ জনগন এবং পথচারীরা স্বাধীনভাবে চলা চলাচল করতে পারি না এখন আমরা খুব চিন্তিত এসব কর্মকাণ্ড গুলো আমাদের ছেলেমেয়েদের উপর কোনরকম প্রভাব ফেলবে কিনা। নাম বলতে অনিচ্ছু এক জন পতিতার কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান এখানে আমাদের সিন্ডিকেট আছে আমাদের কোন সমস্যা নেই এখন স্থানীয়দের প্রশাসন ও সরকারের কাছে এইসব আবাসিক হোটেলের নাম দিয়ে যারা এই দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছে অনতিবিলম্বে এই আবাসিক হোটেলের নামে পতিতালয় গুলো বিরুদ্বে আই নানক ব্যবস্থা গ্রহণ করে হোটেল গুলো বন্ধ করার জোর দাবি জানান।