নিজস্ব প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম কালুরঘাট ভারি শিল্প এলাকা(বিসিক) বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন, কালুরঘাট চট্রগ্রাম এর পরিচালিত পার্টিকেল বোর্ড এন্ড ভিনিয়ারিং প্ল্যান্ট, ১৯৭৭ সালে ততকালিন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিদর্শনের মাধ্যমে উৎপাদন শুরু করেন,উক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে বিগত আওয়ামীলীগ সরকার শতকোটি টাকার সম্পত্তি শুধুমাত্র ২১৩২৮৭৭৭/(একুইশ কোটি বত্রিশ লক্ষ আট হাজার সাতশত সাত্তাতর টাকায়) ৭.৮০ একর জায়গা, স্থাপনা ও মেশিনপত্রসহ বিক্রি করে দেন।
চট্রগ্রাম কালুরঘাট ভারি শিল্প এলাকা (বিসিক) বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন কালুরঘাট, চট্রগ্রাম জেলা চররাংগামাটিয়া মৌজার তপশীলে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ বন শিল্পি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বি এফ আই ডি সি) এর পরিচালনাধীন একই কমপ্লেক্সে অবস্থিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ৬ টি ৪০ একর জায়গার উপর অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৯ ইংরেজি সনে প্রতিস্টিত হয়।১৯৭৭ সালে উক্ত প্রতিষ্ঠান এ ততকালীন রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর পরিদর্শনের মাধ্যমে পার্টিকেল বোর্ড এন্ড ভিনিয়ারিং প্ল্যান্ট উৎপাদন যাত্রা শুরু করেন।বিগত সরকারের ভুল ও অসৎ উদ্দেশ্য সাদনে লাভ জনক প্রতিষ্ঠান সরকারি সেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রাভেশন করার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন।
জ-১, চট্রগ্রাম কেবিনেট ম্যানোফেক্সারিং ইউনিট চট্টগ্রাম
৬, চট্রগ্রাম বোর্ড মিল
১১ টি পাটিকেল বোর্ড এন্ড ভিনিয়ারিং প্ল্যান্ট
৮ নং, বিটকো ফার্নিচার কমপ্লেক্স
১৩ নং, সাংগোমাতামুহুরী।
৪ নং উড-টিটিং প্লান কাস্ট সংরক্ষণ প্রকল্প।
কিন্তু পাটিকেল বোর্ড এন্ড ভিনিয়ারিং প্লানকে প্রাইভেশন কমিশনের সচিব জনাব এজি এম মীর মুশিউর আলম কমিশনের পক্ষে রেজিস্টি প্রদান করেন, সারপ্রাইজ ইন্ডাস্টিয়াল কর্পোরেশনের অংশিদার জনাব আবদুল মোতালেব এর নিকট রেজিস্ট্রার চুক্তিমতে ৪৯১৯ নং ক্ববলা মুলে শতকোটি টাকার ভুমি -৭.৮০ একরব স্থাপনাসহ মাত্র ২১৩২৮৭৭৭/(একুশ কোটি একুত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার সাতশত সাতাত্তর)টাকা মুল্যে বিক্রি করে দেন। দেশের সর্ব বৃহত এই প্রতিষ্ঠানটিকে বন্ধ করে শ্রমিকদের কর্মচুত ও সরকারের কোটি টাকা রাজস্ব আয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে কোটি টাকা স্থাপনাসহ অন্যত্র বিক্রি করার তথ্য পাওয়া গেছে। বি এফ আই ডি সি ১৯৭৯ সালে রাস্ত্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিদর্শনের মাধ্যমে চিটাগাং বোর্ড মিল উৎপাদনের যাত্রা শুরু করেন।১৯৮৭ সাল হইতে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি তথ্য ও কাগজপত্রে দেখানো যায় যে ইহা বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যাক্তিগত মালিকানাধীন। বন শিল্প উন্নয়ন উৎপাদনে গেলেও তাহা ১৯৮৮ সাল হইতে উৎপাদন বন্ধ করিয়া দেন,যাহা অদ্যবদি পর্যন্ত বন্ধ রাখিয়া উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মালামাল চুরি করে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এখনো পর্যন্ত মালিকানা দাবী নিয়ে বোর্ড না থাকায় উক্ত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বোর্ড মিল, সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চালু করার জন্য বিশেষ ভাবে দৃস্টি আকর্শন করছি।